Translate

Helpful Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Helpful Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর, ২০১২


► ছুরি বা কাঁচি থেকে মরচে দাগ তোলার জন্য ভিনেগারে বেশ কিছুক্ষণ ভিজিয়ে এরপর আধা ঘণ্টা ফুটিয়ে নিন।

► কম্পিউটারের কি-বোর্ড বা মাউসে ময়লা জমলে তুলার প্যাডে কয়েক ফোঁটা নেইল রিমুভার দিয়ে ময়লার ওপর বুলিয়ে নিন। সব ময়লা উঠে যাবে।

► অনেক সময় বাসনের স্টিকার সহজে তোলা যায় না। তুলতে গেলেও আঠালো ভাব লেগে থাকে। তাই হাত দিয়ে না তুলে একপাশে মোমবাতি ধরুন। এরপর মোমবাতি সরিয়ে এককোণ থেকে স্টিকার তুলে ফেলুন।

► রান্না করার পর প্রেশার কুকারে অনেক সময় হলদে দাগ পড়ে। এই দাগ তুলতে কুকারে লেবুর রস ও লেবু একসঙ্গে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। দাগ থাকবে না। ভিনেগার দিয়ে ফোটালেও দাগ থাকবে না।

► বালতি বা অন্য কোনো প্লাস্টিকের জিনিসে মরচের দাগ পড়লে তারপিন তেলের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে ঘষুন। দাগ নিমেষে উঠে যাবে।

► কাপড়ের কালো দাগ তোলার জন্য দাগের ওপর কেরোসিন ঘষুন। এরপর এক টুকরা লেবু ঘষে দিন। সাবান দিয়ে কাপড় কেচে রোদে মেলে দিন।

► পিতলের জিনিসের কালচে দাগ তুলতে ময়দা, লবণ ও ভিনেগারের পেস্ট বানিয়ে পিতলের জিনিসের ওপর মাখিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর নরম কাপড় দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন। চকচকে হয়ে যাবে।

► রুপার গয়না কালো হয়ে গেলে একটি পাত্রে গয়না রেখে পানি দিয়ে কয়েক টুকরো আলু দিন। ১০ মিনিট ফোটান। নামিয়ে ঠাণ্ডা হলে পানি থেকে তুলে নরম কাপড় দিয়ে ঘষে নিন।

কাপড়ে বিভিন্ন রকমের দাগের সমস্যায় আমরা প্রায়ই পড়ি। এ সমস্যার সমাধানের জন্য রইল দাগ তোলার কিছু টিপস।

* রঙিন কাপড় বা সিল্ক ফ্যাব্রিকের দাগ তুলতে হলে কাপড়টি বোরেঙ্ সলিউশনের মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন। এ ছাড়া লবণ ও লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে কাপড়ের ওপর লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। ভিনেগার ও মুলতানি মাটির পেস্টও দাগ তোলার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। দাগের ওপর লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ভেজা কাপড় দিয়ে দাগের ওপর ঘষুন। দাগ উঠে যাবে।
* কলমের দাগ তুলতে পারেন টমেটোর রস দিয়ে। এক টুকরো কাপড়ে কাঁচা টমেটোর রস লাগিয়ে নিন। এরপর ওই কাপড় দিয়ে দাগওয়ালা কাপড়টি কিছুক্ষণ ঘষুন। এক ঘণ্টার মতো রেখে দিন। তারপর প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
* কালির দাগটি প্রথমে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। এরপর টক দইয়ের মধ্যে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। খেয়াল রাখবেন, যেন কাপড় শুকিয়ে না যায়। এরপর গুঁড়ো সাবান ও প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
এ ছাড়া কালির দাগের ওপর লবণ দিয়ে রাখুন। এরপর লেবুর রস দিয়ে কিছুক্ষণ ঘষুন। শেষে সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
* কার্পেট বা সোফায় কালির দাগ পড়লে প্রথমে দাগের ওপর অল্প তরল দুধ ঢেলে দিন। এরপর ভেজানো তুলা দিয়ে ঘষুন। কিছুক্ষণের মধ্যে দাগ উঠে যাবে।

গরমে খাবার ভালো রাখতে...

এই প্রচণ্ড গরমে খাবার ভালো রাখাটা বেশ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকালের খাবার দুপুর গড়াতেই বাসি হয়ে যাচ্ছে। আর বাসি খাবার খেলে তো পেটের অসুখ হবেই। এ গরমে খাবার সংরক্ষণ করার বিষয় নিয়ে নানা পরামর্শ দিয়েছেন রান্নাবিদ সিতারা ফিরদৌস।
► ►► জেনে নিন
● কাঁচা মাছ ও মাংস বাজার থেকে আনার পর ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে রেফ্রিজারেটরের বরফ চেম্বারে রাখতে হবে।
● কাঁচা শাকসবজি ও কাঁচামরিচ বাজার থেকে আনার পর এগুলোকে ছড়িয়ে রেখে বাতাসে পানি শুকিয়ে গেলে শুকনা পলিপ্যাক, কাগজের ঠোঙায় বা কনটেইনারে করে রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে। পলিপ্যাকে ছিদ্র করেও রাখা যেতে পারে, যেন বাতাস বের হয়ে যায়।
● কাঁচামরিচের বোঁটা ফেলে সংরক্ষণ করতে হবে।
● বাজার থেকে শাক আনলে পরিষ্কার করে বেছে শুকনা পলিপ্যাক বা কনটেইনারে রাখতে হবে।
● মাছ ও মাংস রান্না করার জন্য রেফ্রিজারেটর থেকে নামালে বরফ গলিয়ে বেশিক্ষণ বাইরে রাখা যাবে না। তাতে গরমে সেগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
● যেকোনো রান্না করা খাবার এক বা দুই ঘণ্টার মধ্যে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এর আগেই সংরক্ষণ করতে হবে।
● রান্না করা খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখার আগে বাতাসে ঠান্ডা করে নিতে হবে।
● বেশি পরিমাণ খাবার রান্না না করে প্রয়োজনমতো রান্না করতে হবে।
● যেকোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখার সময় কনটেইনার, ঢাকনাসহ বাটি—এসব ব্যবহার করা যেতে পারে।
● ফল যেটুকু খাওয়া হবে শুধু সেটুকু কাটতে হবে। বাকিটা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।
● রেফ্রিজারেটর বেশি খুললে ও বন্ধ করলে ভেতরে বাতাস ঢুকে খাবার নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বেশি খোলা যাবে না।
● যেকোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখলে ঢাকনা দিয়ে রাখতে হবে, যেন এক খাবারের গন্ধ আরেক খাবারে না যায়।
● রেফ্রিজারেটর না থাকলে যেকোনো বেলায় খাওয়ার পর বাকি খাবার জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করে জালি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। ঘরের বাইরে খাবার ভালো রাখতে ‘কতক্ষণের জন্য খাবার নেওয়া হচ্ছে, বিষয়টার ওপর গুরুত্ব দিয়ে খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতি নির্বাচন করতে হবে,’ বলছিলেন রান্নাবিদ সিতারা ফিরদৌস।
● ঘরের বাইরে যেমন—অফিসে আমরা সাধারণত পোলাও, খিচুড়ি, ভাত—এসব খাবার নিয়ে থাকি। সাধারণ টিফিন বাক্সে খাবার নিয়ে বেরোনোর আগে খাবার বাতাসে ঠান্ডা করে নিতে হবে। কখনোই গরম গরম খাবার বাক্সে নেওয়া যাবে না, এতে খাবার গন্ধ হয়ে যেতে পারে।
● কোল্ডপটে ঠান্ডাজাতীয় খাবার নিলে তা ঠান্ডা থাকবে।
● যদি খাবার ঠান্ডা করার সময় না থাকে, তাহলে কর্মস্থলে যাওয়ার পর খাবারের বাক্সটা একটু খুলে রাখতে হবে, যেন গরম ভাপটা বের হয়ে যায়।
● টিস্যু পেপারে কিংবা বাটার পেপারে রোল করে স্যান্ডউইচ, স্ন্যাকস-জাতীয় খাবার মুড়িয়ে নিলে খাবারের অতিরিক্ত তেল টিস্যু পেপার চুষে নেয় আর খাবারও ভালো থাকে অনেকক্ষণ।
● চিকেন ফ্রাই, চিকেন রোল—এসব খাবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে নিলে নষ্ট হবে না।
● গ্রিল, কাবাব—এসব খাবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে ছিদ্র করে মুড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে।
● নুডলস বাটার পেপারে কিংবা টিফিন বাক্সে করে নেওয়া ভালো।
● ভ্রমণে শুকনা খাবার নেওয়াই ভালো। অনেকক্ষণ খাবার ভালো থাকে।
● খাবারে কাঁচা পেঁয়াজ দেওয়া না হলে তা অনেক্ষণ ভালো থাকে।

রান্নাঘরের টিপস

ওভেনে রান্নার আগে


সময়ের যান্ত্রিকতায় মাইক্রোওয়েভ অবিচ্ছেদ্য সব পরিবারে । জীবনটা আজ যেন যান্ত্রিকতার। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মতোই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের চাহিদা মিটিয়ে সবার নাগালের মধ্যেই এসেছে মাইক্রোওয়েভ ওভেন। বায়োসিরামিক প্রযুক্তিতে তৈরি মাইক্রোওয়েভ ওভেনে রান্না করা খাদ্যের গুণ অর্থাৎ ভিটামিন, নিউট্রেশন সব ঠিক থাকে। শুধু তাড়াতাড়ি রান্না বা অল্প তেল-মশলায় রান্নাই নয়, মাইক্রোওয়েভ ওভেনে রান্না করা যায় হাইজিনিক ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার। আধুনিক রন্ধনবিদরা প্রমাণ করেছেন, কেবল খাবার গরমই নয়, নানা স্বাদের খাবারও তৈরি করা যায় মাইক্রোওয়েভ ওভেনে। দৈনন্দিন সাধারণ খাবারের পাশাপাশি কেক, বিস্কিট, ফিরনি, পোলাও, কাবাব, নান সবকিছুই খুব সহজে তৈরি করা যায় মাইক্রোওয়েভ ওভেনে। রেগুলেটর এবং ইজিটাচ কন্ট্রোল সিস্টেমের মাধ্যমে সহজেই যেমন অপারেট করা যায় তেমনি মেন্যুয়াল দেখে নিজে নিজেও চেষ্টা করা যায় এবং প্রস্তুত করা যায় মজার মজার খাবার।

মাইক্রোওয়েভে রান্নার জন্য কিছু সহজ পদ্ধতিতেও আছে, যা আমাদের বৈদ্যুতিক খরচ কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। মাইক্রোওয়েভ ওভেনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস-
* রান্নার জন্য মাংস তেল-মসলা দিয়ে মাখিয়ে ৩/৪ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন।

* খাবার ১৫/২০ মিনিট আগে ওভেনে রান্না করুন। দেখবেন টেস্ট লাগবে এবং সময়ও বাঁচবে।
* ওভেনপ্রুফ বাটি বা ডিশ ব্যবহার করুন। দুর্ঘটনা কমে যাবে।

* রান্নার পর ওভেন ঠাণ্ডা হলে হাত দিন।
* ওভেনের ভেতর তেল-মশলা ছড়িয়ে গেলে টিস্যু দিয়ে হালকাভাবে মুছে নিন।

* রান্না না করলেও মাঝে মাঝে ওভেনের ভেতর মুছে রাখুন।
* ওভেন ব্যবহারের জন্য মজবুত করে সুইচবোর্ড লাগিয়ে নিন।
মাইক্রোওয়েভ ওভেন আজ আর শুধু শৌখিনতা নয়, আমাদের জীবনের এক অপরিহার্য অংশে রূপ নিয়েছে। পিৎজা ও মচমচে জলখাবার রান্নার জন্য কিংবা ঢিমা আঁচে রান্নার জন্য এবং সহজে ডিফ্রস্ট করার জন্যও মাইক্রোওয়েভ অতুলনীয়।


রান্নাঘরের টুকিটাকি

মাছ ভাজা হলে কিংবা রসুন বেশি ব্যবহার করলে পুরো বাড়িতেই দুর্গন্ধ ছড়ায় তাই রান্না শুরুর আগে একটা বাটিতে ভিনেগার ঢেলে চুলার কাছেই রাখুন। এটি গন্ধ শুকানোর পক্ষে আদর্শ।
ভাত, ডাল, দুধ উথলে পড়ে প্রায়ই চুলা নোংরা হয়। এক্ষেত্রে চুলা পরিষ্কারের জন্য প্রথমেই চুলার ওপর লবণ ছড়িয়ে দিন। চুলা ঠাণ্ডা হলে গরম সাবান পানিতে কাপড় ভিজিয়ে জায়গাটি মুছে নিন।
রান্নাঘর আর খাবার ঘরে মাছির উপদ্রব এড়াতে নিপপাতার গোছা কয়েকটি স্থানে রেখে দন।
ফ্রিজে প্রায়ই দুর্গন্ধ হয়। এ অবস্থায় ফ্রিজে খাবার রেখে দেওয়াটা অস্বাস্থ্যকর। ফ্রিজের খাবার ঢেকে রাখুন।

ফ্রিজে অনেক সময় অগোচরে সবজি পচে দুর্গন্ধ হয়। আর তাই এদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রতি সপ্তাহে একবার ফ্রিজ পরিষ্কার করা উচিত।

ফ্রিজ পরিষ্কার করার পর অনেকক্ষণ ফ্রিজের দরজা খোলা রাখুন। তারপর ফ্রিজে বেকিং সোডা রেখে ফ্রিজের দরজা বন্ধ করুন। প্রয়োজনে দুই চার দিন পরপর বেকিং সোডা পাল্টে দিন।

ফ্রিজে খুব বেশি দুর্গন্ধ হলে সাবান পানিতে ফ্রিজ পরিষ্কার করে সাদা ভিনেগার একবার কাপড়ে ভিজিয়ে ফ্রিজ আবার মুছে নিন। এরপর বেশ খানিকক্ষণ খোলা রাখুন ফ্রিজ। তারপর ফ্রিজে বেকিং সোডা রেখে ফ্রিজ বন্ধ করুন।

রান্নাঘরের সিংক কিংবা বেসিনের মুনোনা জিনিস আটকে প্রায়ই পানি জমে যায়, দুর্গন্ধ হয়। সে ক্ষেত্রে বাড়িতে ব্যবহার করা যায় এমন ব্লিচ দুই কাপ ঢেলে দিন সিংক কিংবা বেসিনের মুখে। এরপর একঘণ্টা ওভাবে রেপোনি ঢেলে দিন। দেখবেন সিংক কেমন পরিষ্কার হয়ে গেছে।

আজকাল অনেকেই গাছ দিয়ে ঘর সাজায়। আপনি আপনার রান্নাঘরের অব্যবহৃত কোন একটি কোণে রাখতে পারেন। কোন সাকুলেন্ট কিংবা বনসাই গাছ। আপনার রান্নাঘর হয়ে উঠবে অনেক স্বতন্ত্র ও নান্দনিক।